
উদ্ধারকারী নুসরাত আকসয় জানান, সিঙ্কের নিচে শিশুটির অবস্থান শনাক্তের আগে তার চিৎকার শুনতে পান তিনি। আয়দা নামের শিশুটি হাত নাড়িয়ে নিজের অবস্থান জানান দেয় আর নিজের নাম বলে। উদ্ধারের পর বিশেষ কম্বলে মুড়ে শিশুটিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
Ayda kızımızın kurtarılma anı…
Arama kurtarma çalışmalarımız son cana ulaşana kadar aralıksız devam edecek. pic.twitter.com/btJ4ppZ0Uk
— A F A D (@AFADBaskanlik) November 3, 2020
এর আগে সোমবার ইজমিরের অন্য একটি ভবন থেকে তিন বছর ও ১৪ বছর বয়সী দুই মেয়ে শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার তুরস্কের ইজমির প্রদেশ ও গ্রিসের কিছু অংশে সাত মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে মঙ্গলবার পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা এক শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে। তারপরও ইজমিরে ভেঙে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসাবশেষ থেকে মানুষ উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



