স্পোর্টস ডেস্ক: চতুর্থ দিনের চ্যালেঞ্জিং উইকেটে রেকর্ড রান তাড়ায় বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। অনেকটা টি-টোয়েন্টি মেজাজে রান বাড়াচ্ছিলেন তিনি। সৌম্য সরকারকে নিয়ে ওপেনিংয়ে পঞ্চাশ রানের জুটির পর নিজেও তুলে নিয়েছিলেন ফিফটি। অবশ্য অনিয়মিত বোলার ক্রেগ ব্র্যাথওয়েটের বলে দুই ওপেনারের বিদায়ে ফের কিছুটা শঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে ফিরতে হলে ২৩১ রান করতে হবে বাংলাদেশ। টেস্টে এত রান তাড়া করে জেতার ইতিহাস নেই বাংলাদেশের। মিরপুরের মাঠেও চতুর্থ ইনিংসে এত রান তাড়া করে জেতেনি কেউ।
সে লক্ষ্যে নেমে চতুর্থ দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত ৩ উইকেটে ৭৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। জিততে হলে আরও চাই ১৫৩ রান। হাতে আছে ৭ উইকেট।
এমনিতে লক্ষ্যটা খুব বড় না। কিন্তু টেস্টের শেষ ইনিংস আর উইকেটের আচরণের বিচারে তা বেশ বড়সড়ই দেখায়। রান তাড়ায় এসব উইকেটে অ্যাপ্রোচ খুব গুরুত্বপূর্ণ। ধরে খেলে লম্বা সময় টিকে থাকা মুশকিল। তামিম সেটা বুঝেই হয়ত নিয়েছিলেন ইতিবাচক ধরণ। একশোর উপর স্ট্রাইকরেট বলেছে প্রয়োজনের চেয়েও একটু বেশি ইতিবাচক দেখা গেছে তাকে।
সৌম্যকে এক পাশে রেখে তামিম দ্রুত বাড়াতে থাকেন রান। দুই পেসার আলজেরি জোসেফ, শ্যানন গ্যব্রিয়েল আর স্পিনার জোমেল ওয়ারিকন দিয়েছেন প্রচুর আলগা বল। যার ফল তুলে বাংলাদেশকে উড়ন্ত শুরু পাইয়ে দেন তামিম। প্রথম ১২ ওভারে বাংলাদেশের রান দাঁড়ায় ৫৯!
এক পাশে রাহকিম কর্নওয়ালকে রেখে তাই অধিনায়ক ব্র্যাথওয়েট নিজেই বল হাতে নেন। সেই ফাটকাই কাজে লাগে তার। ১৩তম ওভারে নিতে এসেই নেন উইকেট। সৌম্য কাট করতে গিয়েছিলেন। আউটসাইড এজ হয়ে বল কিপারের গ্ল্যাভসে লেগে যায় স্লিপ ফিল্ডারের হাতে। রিভিউ নিয়ে তাকে ফেরার পথ দেখায় উইন্ডিজ।
টেস্টে ৭ ইনিংস ও দুই বছর পর ফিফটি পাওয়া তামিম এরপরই শেষ। শর্ট মিড অফের হাতে যায় তার লফটেড ড্রাইভ। ৪৬ বলে ৯ চারে ৫০ করে যান তিনি।
তিনে নেমে পুরো সিরিজে ব্যর্থ নাজমুল হোসেন শান্ত ফেরাতে পারেননি ছন্দ। চা-বিরতির ঠিক আগে শর্ট লেগে যায় তার ক্যাচ। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারি কর্নওয়াল তাকে আউট করেই খুলেন উইকেটের খাতা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


