
দেশটির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত উইনি ইস্ট্রুপ পিটারসেন বুধবার (১৯ জুলাই) একথা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ প্রস্তাব দেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সহায়তা প্রয়োজন।’
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করছে। যেখানে বিদেশি ও দেশীয় উভয় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন।
প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত উভয়েই বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে ৫০ বছরের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন।’
বৈঠকে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সরকার দেশে দারিদ্র্যের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান শেখ হাসিনা।
নারীদের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা নারীদের খেলাধুলার উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন।’
দেশে গণতন্ত্রের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্রের জন্য আমাদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে।’
ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘তার দেশ বিশ্বব্যাপী আইসিটি খাতে ষষ্ঠ বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।’
এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের আইসিআই সেক্টরের প্রসারও খুব দ্রুত হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত পিটারসেন বলেন, ‘মানব উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ সহযোগিতা বাড়াতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা অনেক কিছু অর্জন করেছি।’
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশে ভালো বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছেন।’
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে ৫০ বছরের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে বই উপহার দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



