
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নারীরা মন্ত্রী হতে পারবে না, তাদের কাজ সন্তান জন্ম দেওয়া বলে মন্তব্য করেছেন তালেবানের মূখপাত্র সাঈদ জাকরুল্লাহ হাশিমি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর এনডিটিভির।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান মুখপাত্রের এমন মন্তব্যের পর অনেকেই ধারণা করছেন, কাবুল দখলের পর কট্টরপন্থী গোষ্ঠীটি এবার যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিল, সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তারা আবারও পূর্বের শাসনামলের (১৯৯৬-২০০১ সাল) মতো কঠোর শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নারীরা মন্ত্রীসভায় নাই কেন, এমন এক প্রশ্নের জবাবে সাঈদ জাকরুল্লাহ হাশিমি বলেন, ‘একজন নারী মন্ত্রী হতে পারে না। এটি এমন যে আপনি তার ঘাড়ে কিছু একটা রেখেছেন, যেটি তার বহন করার ক্ষমতা নেই। নারীদের মন্ত্রীসভায় থাকার প্রয়োজন নেই। তাদের কাজ সন্তান জন্ম দেওয়া। যারা আন্দোলন করছেন তারা আফগানিস্তানের সব নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে না।’
A Taliban spokesman on @TOLOnews: "A woman can't be a minister, it is like you put something on her neck that she can't carry. It is not necessary for a woman to be in the cabinet, they should give birth & women protesters can't represent all women in AFG."
Video with subtitles👇 pic.twitter.com/CFe4MokOk0— Natiq Malikzada (@natiqmalikzada) September 9, 2021
এ সময় উপস্থাপক বলেন, নারীরা সমাজের অর্ধেক। জবাবে তালেবান মুখমাত্র বলেন, ‘আমরা নারীদের অর্ধেক হিসেবে মানি না। কীসের অর্ধেক? এখানে অর্ধেকের ভুল সংজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। এখানে অর্ধেক বলতে বোঝায়, আপনি নারীদের মন্ত্রীসভায় রাখুন এবং অন্যকিছু নয়। আপনি তার অধিকার লঙ্ঘন করলেও এটি কোনো ইস্যু নয়।
গত ২০ বছরে মিডিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং আফগানিস্তানে তাদের সমর্থিত সরকার যা বলেছে, সেগুলো অফিসে পতিতাবৃত্তি ছাড়া আর কিছু ছিল?’
তখন উপস্থাপক বলেন, আপনি সব নারীদের পতিতা হিসেবে আখ্যা দিতে পারেন না। জবাবে তালেবানের এই নেতা বলেন, ‘আমি সব আফগান নারীদের উদ্দেশ করে বলিনি। সড়কে চারজন নারী বিক্ষোভ করছে, তারা আফগানিস্তানের নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে না। আফগান নারী তারাই, যারা সন্তান জন্ম দেয় এবং তাদের ইসলামী শরিয়াহ আইনের শিক্ষাদান করে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


