
প্রথমটায়, প্রায় ৯ মাস আগে ওই খামারের মালিক শিয়াবুদ্দিন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না। বিষয়টি জানাজানি হতেই খবর পান কেরলের পশুচিকিৎসা ও প্রাণী বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। বিষয়টি নিয়ে কেরলের পশুচিকিৎসা ও প্রাণী বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গবেষণা করে দেখা হয়।
গবেষকরা জানান, খামারে মুরগিদের দেওয়া কোনও খাবার থেকেই এই সমস্যা হয়েছে! বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে রেখে ওই সাতটি মুরগিকে তারা খাবার দিয়ে দেখেন। ক’দিন পর থেকেই মুরগিগুলি স্বাভাবিক ভাবেই হলুদ রঙের কুসুমের ডিম দেওয়া শুরু করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



