
অজয় পেশায় ব্যাবসায়ী। মুদির দোকানসহ মিনিবাসও রয়েছে তার। প্রায় ৭ বছর আগে তার ছোট ছেলে গৌতমের সঙ্গে দেবশ্রী মাইতির বিয়ে হয়। তাদের একটি ছেলেও হয়। বিয়ের বছর তিনেকের মাথায় গৌতমের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ছেলেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন দেবশ্রী।
অজয়বাবু বলেন, ‘আমার সঙ্গে সঙ্গে আমার বৌয়েরও বয়স হচ্ছে। তাই আমার পরে দেবশ্রী আর নাতির কী হবে, সে চিন্তা হতো। শেষে ঠিক করি, দেবশ্রীর বিয়ে দেব।’ উপযুক্ত পাত্রের খোঁজ শুরু হয়। যোগাযোগ হয় দুর্গাপুরেরই করঙ্গপাড়ার বাসিন্দা সন্তোষের সঙ্গে। পরে তার সঙ্গেই দেবশ্রীর বিয়ের প্রস্তাব দেন অজয়বাবু।
এ বিষয়ে সন্তোষ বলেন, ‘গোটা ব্যাপারটা শুনে রাজি হয়ে যাই।’ দু’পক্ষের যোগাযোগ বাড়ে। বিয়েতে রাজি হন দেবশ্রীও। তিনি বলেন, ‘বাবা যা করবেন, আমাদের ভালোর জন্যই করবেন, এ বিশ্বাস ছিল।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



