
মামলা সূত্রে বলা হয়, রিনি স্টেইনাকের ২০১৭ সাল মার্কিন সাউথ-ওয়েস্ট এলারলাইন্সের বিমানবালা ছিলেন। প্লেনের প্রধান পাইলট টেরি গ্রাহাম একদিন ফ্লাইট চলাকালীন তাকে ককপিটে ডাকেন। তিনি গেলে টয়লেটে যাবেন বলে তাকে কিছুক্ষণ এখানে বসতে বলে পাইলট। কারণ ওই এয়ারলাইন্সের নিয়মানুযায়ী ফ্লাইট চলাকালীন ককপিটে দুই জন কর্মকর্তা থাকতে হবে। পরে তিনি ককপিটে বসেন। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী পাইলট রিয়ান রাসেল।
আজ সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
ককপিটে থাকাকালীন হঠাৎই স্টেইনাকের খেয়াল করেন একটি আই-প্যাড, যেখানে টয়লেটের চিত্র লাইভ দেখা যাচ্ছে। তখনই তিনি টের পান টয়লেটে গোপন ক্যামেরা রাখা আছে। বিষয়টি তখন তিনি ককপিটে থাকা সহকারী পাইলট রাসেলকে জানান। তখন সহকারী পাইলট রাসেল তাকে ব্যাপারটি গোপন করতে বলে। স্টেইনাকেরকে সে জানায়, নিরাপত্তার জন্যই নাকি টয়লেটে গোপন ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যের মারিকোপা কাউন্টির আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন স্টেইনাকের। সম্প্রতি মামলাটি অ্যারিজোনা জেলা আদালতে হস্তান্তর করা হয়। তবে এখনো শুনানির দিন ধার্য হয়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।
এদিকে, বিষটি অস্বীকার করেছে ওই দুই পাইলট এবং সাউথ-ওয়েস্ট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি তাদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর একটা অপচেষ্টা চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



