Close Menu
iNews
  • Home
  • Bangladesh
  • Business
  • International
  • Entertainment
  • Sports
  • বাংলা
Facebook X (Twitter) Instagram
iNews
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ইতিহাস
    • ক্যাম্পাস
    • ক্যারিয়ার ভাবনা
    • Jobs
    • লাইফ হ্যাকস
    • জমিজমা সংক্রান্ত
iNews
Home বাংলাদেশ-ভারত: একসময়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন তিক্ততায় ভরা
Bangladesh breaking news জাতীয়

বাংলাদেশ-ভারত: একসময়ের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এখন তিক্ততায় ভরা

By Tarek HasanDecember 2, 20244 Mins Read
Advertisement

জুমবাংলা ডেস্ক : কয়েক মাস ধরেই একসময়ের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে উত্তেজনা চলছে। বাংলাদেশে একজন হিন্দু পুরোহিতকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তারের জেরে এই দুই প্রতিবেশী দেশের পরস্পরের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ করার পর এই উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

ছবি: নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের স্ক্রিনশট

এশিয়ার এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে গত ২৮ নভেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাইফ হাসনাত, অনুপ্রীতা দাস ও মুজিব মাশাল।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মিত্র বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এর পর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন হাসিনা। ভারতে তাঁর টানা উপস্থিতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ও মোদি সরকারের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি করেছে।

৮৪ বছর বয়সী নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, হাসিনা ভারতে বসে ক্ষমতায় ফিরে আসার ষড়যন্ত্র করছেন–এমন কথা আসছে সরকারের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা ভারতের বিরুদ্ধে এই অভিযোগও তুলেছেন যে, রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণকে অতিরঞ্জিত করে তুলে ধরছে ভারত।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উত্তেজনা এখন চরমে। তিনি বাংলাদেশের একজন হিন্দু পুরোহিত। ১৭ কোটি জনসংখ্যার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ১০ শতাংশের কম। একসময় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস একটি প্রভাবশালী বৈশ্বিক হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সংগঠনটির নাম ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কৃষ্ণ কনসায়নেস, যা ইসকন বা হরে কৃষ্ণ সোসাইটি নামেও পরিচিত।

এরপর প্রতিবেদনে ঘটনা বর্ণনা করা হয় এভাবে, চট্টগ্রামের একটি আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ঔপনিবেশিক আমলের রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের মামলায় বিচার-পূর্ব কারাগারে পাঠান। এর আগে স্থানীয় একজন রাজনীতিবিদ অভিযোগ (কোতোয়ালি থানায়) দায়ের করেন যে, হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে একটি সমাবেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করেছেন চিন্ময়। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে নিচে রেখে ওপরে রেখেছিলেন গেরুয়া রঙের পতাকা (হিন্দুধর্মের প্রতীক)।

রায় ঘিরে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের সমর্থকেরা আদালত ঘেরাও করলে ঘটনা প্রাণঘাতী রূপ নেন। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় একজন মুসলিম আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর হিন্দুপাড়ায় হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কারা এই আইনজীবীকে হত্যা করেছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সহিংসতার অভিযোগে ২০ জনের বেশি গ্রেপ্তার হয়েছেন। হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীর আইনজীবীরা আদালত বর্জন করেন।

এ নিয়ে এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, একজন ধর্মীয় নেতা শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মাধ্যমে ন্যায্য দাবি পেশ করে আইনি ঝামেলার সম্মুখীন হচ্ছেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। অন্যদিকে হিন্দু দেবতা ও মন্দির অপবিত্র করাসহ সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় জড়িত চরমপন্থীরা মুক্ত রয়েছেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মুক্তি না দিলে সীমান্ত অবরোধের হুমকি দেন বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সমর্থকেরা।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্বেষ ও নিপীড়নের সম্মুখীন হয়ে আসছেন। ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা ও ইসলামি জঙ্গিবাদের উত্থানের মুখে তাঁদের সংখ্যা কমেছে। শেখ হাসিনা একটি পুলিশি রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন। তাঁর সরকার ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করেছিল। কিছু উগ্রবাদীদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল, যারা তাঁর পতনের পর প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু হাসিনার শাসনকালেও হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলা হয়।

ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকর্তারা সব বাংলাদেশির জন্য সমান সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘নয়াদিল্লির পছন্দের নেতা হাসিনার পতন ঘটিয়েছে যে আন্দোলন, তাকে খাটো করে দেখাতে ভারত বাংলাদেশের হিন্দু সংখ্যালঘুদের দুর্দশাকে একটি আবেগপূর্ণ রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করেছে।’

বাংলাদেশের কর্মকর্তারা ভারত থেকে অতিরঞ্জন ও অপতথ্যের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ব্যাপক সহিংসতায় ‘শত শত লোক মারা যাওয়ার’ ঘটনাকে বর্ণনা করতে ভারতের ডানপন্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট এবং দেশটির সরকারের প্রতি অনুগত সংবাদমাধ্যম প্রায়ই গণহত্যার মতো শব্দ ব্যবহার করে। যদিও বাংলাদেশের হিন্দু নেতারা বলেছেন, এই ভুক্তভোগীদের মধ্যে তাঁদের সম্প্রদায়ের মাত্র কয়েকজন ছিলেন।

গত সপ্তাহে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস বাংলাদেশের বড় প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয়টি স্বীকার করেন। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতির কারণ হিসেবে শেখ হাসিনাকে ভারতের সুরক্ষা দেওয়া এবং ভারতের ‘অপপ্রচারের’ কথা উল্লেখ করেন তিনি।

তবে বিশ্লেষকেরা বলেছেন, শেখ হাসিনা ভিন্নমত দমনে যে ঔপনিবেশিক যুগের আইন ব্যবহার করেছিলেন, সেই একই আইনে হিন্দু পুরোহিতকে কারাগারে পাঠিয়ে ড. ইউনূসের সরকার ঠিক করেনি। বাংলাদেশের হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির উপদেষ্টা নূর খান লিটন নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ ও ‘পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হচ্ছে, যা তাঁরা আগেও দেখেছেন।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতা সারজিস আলম বাংলাদেশে ইসকন নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইসকনকে একটি ‘চরমপন্থী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘এটি (ইসকন) আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার জন্য ভারতের সঙ্গে জোটবদ্ধ।’

স্বর্ণজয়ী শ্যুটার সাদিয়া সুলতানা আর নেই

ইসকনের বাংলাদেশের নেতারা বলেছেন, সংগঠনটি আইন মেনে চলে। তাঁরা আদালতের বাইরে মুসলিম আইনজীবীর মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাঁরা প্রথমে বিবৃতি দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা তাঁর থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছেন।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
‘জাতীয় bangladesh, breaking news একসময়ের এখন তিক্ততায় বন্ধুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ বাংলাদেশ-ভারত ভরা সম্পর্ক
Tarek Hasan
  • Website
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram

Tarek Hasan is a professional journalist and currently works as a sub-editor at Zoom Bangla News. With six years of experience in journalism, he is an experienced writer with a strong focus on accuracy, clarity, and editorial quality. His work contributes to delivering reliable and engaging news content to digital audiences.

Related Posts

মায়ের ঐতিহাসিক বিদায়ে তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

January 1, 2026

সিএমপির ৩ থানায় ওসি বদল

January 1, 2026
জাতীয় ঐক্য সরকার

নির্বাচনে জয়ী হলেও ‘জাতীয় ঐক্য সরকার’ গড়তে চায় জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

January 1, 2026
Latest News

মায়ের ঐতিহাসিক বিদায়ে তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

সিএমপির ৩ থানায় ওসি বদল

জাতীয় ঐক্য সরকার

নির্বাচনে জয়ী হলেও ‘জাতীয় ঐক্য সরকার’ গড়তে চায় জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

পাঠ্যবই বিতরণ

রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্যে আজ বই বিতরণ, তবে হবে না কোনো উৎসব

রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

জ্বালানি তেল

নতুন বছরে কমল সব জ্বালানি তেলের দাম

বিদায় ২০২৫, স্বাগতম ২০২৬

বিদায় ঘটনাবহুল ২০২৫, স্বাগত ২০২৬

দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান

ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান

Muhammad Yunus

ইংরেজি নববর্ষে দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংবাদিক ইউনিয়ন

বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla News - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.