
ওই কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, ‘হজ বাতিলের বিষয়টি নিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে ভাবা হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।’ তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে এবারের হজ আয়োজন করার একটি প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। বাতিল ও সীমিতভাবে হজ করার বিষয় দুটি নিয়েই ভাবা হচ্ছে। তবে মুসল্লিদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে।
করোনার আগে মহামারি সার্স এবং মার্স প্রাদুর্ভাবের সময়েও সৌদিতে হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবার হজ আয়োজন করা সৌদি সরকারের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে করোনার সংক্রমণ রোধ করতে নিজেদের নাগরিকদের জন্য হজ বাতিল করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলিমের দেশ ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মালয়েশিয়াও।
করোনার ছোবলে লণ্ডভণ্ড সৌদি আরবও। গত ১৭ মার্চে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নবাবী এই প্রধান দুই মসজিদ ছাড়া সৌদি আরবের বাকি সব মসজিদে জামাতে নামাজ স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। পরে এ দুটি পবিত্র মসজিদেও জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ করা হয়। সংক্রমণ বেড়ে গেলে প্রধান দুই মসজিদে রোজার সময়ও জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। ২ মার্চ সৌদিতে প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৪২ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৮৯৩ জনের।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



