বান্দরবানে ঈদের লম্বা ছুটিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে দর্শনীয় স্থানগুলো। ছুটির শেষদিনে রোববারও জেলার অন্যতম পর্যটন স্পট নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিকলেক, শৈলপ্রপাত, রুপালি ঝরনা, বুদ্ধমূ্র্তি ট্যাম্পল, বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড় এবং নীলগিরি সড়কের ডাবল হেন্ডস ভিউ, টাইটানিক ভিউ পয়েন্টসহ পর্যটন স্পটগুলোতে ভ্রমণ পিপাসুদের উপচেপড়া ভিড় ছিল।

তবে জেলায় হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট গেস্ট হাউজগুলোয় এবার আশানুরূপ রুম বুকিং হয়নি বলে জানিয়েছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।
এদিকে ছুটির শেষদিনে শহরের ধনেশপাখি মোড়ে জীপগাড়ি স্টেশনে ট্যুরিস্টদের চার শতাধিকের অধিক চাঁদের গাড়ির একটিও বসে ছিল না, সবগুলোই পর্যটকদের নিয়ে পছন্দনীয় স্পটগুলোতে ছুটে বেড়িয়েছে।
বেড়াতে আসা পর্যটক নাদিয়া হক ও শারমিন বলেন, বান্দরবান যারা দেখেননি, তারা বাংলাদেশের সৌন্দর্যের কিছুই দেখেনি। পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখার জন্য বাংলাদেশে বান্দরবানই একমাত্র জেলা, যার সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মনের প্রশান্তির জন্য পাহাড়ে ছুটি পেলেই ছুটে আসি।
এদিকে জেলার পর্যটন স্পটগুলোও প্রকৃতির সঙ্গে শৈল্পিক ছোঁয়ায় সাজানো গোছানো৷ বেশ সুন্দর। তবে পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় ভ্রমণকারী নারীরা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ পর্যটকদের।
ট্যুরিস্ট গাড়ির চালক অমল দাস বলেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে সবগুলো ট্যুরিস্ট গাড়িই ভাড়া হয়েছে এবার শেষদিনে। স্টেশনে কোনো গাড়িই বসা ছিল না। তবে অন্যান্যবারের তুলনায় পর্যটক কম।
জেলার হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, ঈদের ছুটিতে প্রথম কয়েক দিন তেমন পর্যটক ছিল না। তবে শেষদিনগুলোতে সবগুলো হোটেল মোটেল রিসোর্টে রুম বুকিং হয়েছে। কোথাও রুম ফাঁকা ছিল না।
বান্দরবানের ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটিতে পাহাড়ের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ পর্যটকরা। সব মিলিয়ে পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য এখন বান্দরবান। কোথাও কোনো ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং নিরাপত্তাগত সমস্যা না থাকায় পর্যটকরা নিরাপদে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটন স্পটগুলোতে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



