
এর আগে দলটির সভাপতি ছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অমিত শাহ মন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই তার জায়গায় নতুন সভাপতি আনার কথা শুরু হয়। কিন্তু তখনই পূর্ণ দায়িত্ব না দিয়ে অমিতকে মাথায় বসিয়ে রেখে কার্যনির্বাহী সভাপতি করা হয়েছিল দলের প্রবীণ নেতা জেপি নাড্ডাকে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভের পরে মোদি সরকারের মন্ত্রিসভায় সুযোগ পান অমিত শাহ। তারপর ২০১৯-এর জুলাইয়ে নাড্ডাকে দলের কার্যকরী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি অমিত শাহ সভাপতির দায়িত্বও সামলাচ্ছিলেন।
গত নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি নাড্ডা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য উত্তরপ্রদেশে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন। সেখানে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং বহুজন সমাজ পার্টির মহাজোটের বিরুদ্ধে কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়েও সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। বিজেপি জানিয়েছে নাড্ডার ছকেই উত্তরপ্রদেশের ৮০টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৬২টিতে জয়লাভ করে দলটি।
এছাড়াও মোদি সরকারের প্রথম মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন নাড্ডা এবং বিজেপির সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শীর্ষ সংসদীয় বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। শুরু থেকেই বিজেপির সভাপতি হওয়ার দৌড়েও এগিয়ে ছিলেন মোদি ও অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ জেপি নাড্ডা। প্রথম মোদি সরকারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



