
স্থানীয় গণমাধ্যম ‘মিয়ানমারের নাও’ চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্সের (সিডিএফ) এর একজন মুখপাত্রের বরাতে জানিয়েছে, মিয়ানমারের থান্টল্যাংয়ের বাইরে খুয়ালহিরিং পর্বতের নিকট জান্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মিয়ানমারের সেনারা মোটরসাইকেলে করে এসেছিল উল্লেখ করে বিদ্রোহীদের ওই মুখপাত্র বলেন, আমরা অতর্কিতে তাদের ওপর আক্রমণের সুযোগ নিয়েছিলাম।
সিডিএফের আরেক সদস্য জানান, বুধবার ওই এলাকায় তারা সেনাবাহিনীর ড্রোন দেখেছিলাম। ওই ড্রোনের মাধ্যমে জান্তা বাহিনী তাদের গতিবিধি নজরদারি করছিল। কিন্তু ওইদিন তারা আক্রমণ করেননি। কারণ, সেনাবাহিনী আবাসিক এলাকার কাছাকাছি ছিল।
এরপর বৃহস্পতিবার সুযোগ বুঝে তারা গাংগাও হাকহা মহাসড়কে ৫০ সেনার ওপর আক্রমণ চালান। এতে জান্তা বাহিনীর কমপক্ষে ১০ সেনা সদস্য নিহত হয় এবং বাকি সৈন্যদের ওই এলাকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। সংঘের্ষের সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রকেট চালিত গ্রেনেড এবং মেশিনগান ব্যবহার করেছিল। কিন্তু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কোনো ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি বলেও তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাজপথে জোরালো প্রতিবাদ গড়ে উঠলে বল প্রয়োগ করে সেনা সরকার। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট শতাধিক বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে। রাজপথে বিক্ষোভ কিছুটা কমলেও দেশটির একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী সেনা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর বেরিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



