
ডাক্তার চেন জিয়াংগু জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি ওই ফুসফুস দান করেছেন, তার মস্তিষ্কের মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু ওই ফুসফুসের ভয়ঙ্কর অবস্থা দেখার পর অন্য কোনো রোগীর দেহেই তা বসানো যায় না। যদি কোনো রোগীর দেহে এই ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়, তাহলে তার লাং ক্যালসিফিকেশন, বুলোস লাং ডিজিস এবং পালমোনারি এমফাইসেমার মতো ফুসফুসের নানা রোগ হতে পারে।
ডাক্তার জিয়াংগু আরো বলেন, আমার দল এই ফুসফুসের প্রতিস্থাপন করতে অস্বীকার করছে। যদি কোনো ব্যক্তি ভীষণ সিগারেট খান, বেশিই ধূমপান করেন তাহলে তাদের ফুসফুস কখনোই অন্য কাউকে দান করা উচিত নয়।
ডাক্তার আরো জানিয়েছেন, নিজের ফুসফুস দান করার আগে এই ব্যক্তির সিটি স্ক্যান করা হয়নি। কারণ তার আগেই এই রোগীর মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ডাক্তারের কথায়, প্রাথমিকভাবে অক্সিজেন ইনডেক্সের পরে যখন ফুসফুসগুলো দেখি তখন মনে হয়েছিল তা ট্রান্সপ্লান্ট করা যাবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



