Close Menu
iNews Zoombangla
  • Bangladesh
  • World
  • Tech
  • Business
  • Sports
  • Entertainment
  • Bangla
Facebook X (Twitter) Instagram
iNews Zoombangla
  • Bangladesh
  • World
  • Tech
  • Business
  • Sports
  • Entertainment
  • Bangla
iNews Zoombangla
Home আন্তর্জাতিক ব্রিটেনের যেসব মানুষ রাজতন্ত্র সমর্থন করে না
আন্তর্জাতিক

ব্রিটেনের যেসব মানুষ রাজতন্ত্র সমর্থন করে না

By জুমবাংলা নিউজ ডেস্কApril 15, 20215 Mins Read

ব্রিটেনের যেসব মানুষ রাজতন্ত্র সমর্থন করে না

Advertisement

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রিন্স ফিলিপ মারা যাওয়ার পর সারা পৃথিবীর মানুষ শোক প্রকাশ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে রাজপরিবারের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছেন অনেকে। খবর বিবিসি বাংলা’র।

প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে শোকাহত ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতি বহু মানুষের সহানুভূতি থাকলেও, ব্রিটেনের সব মানুষ কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজতন্ত্রের পক্ষে নয়।

প্রশ্ন করা হলে বেশিরভাগ মানুষ বলেন, তারা একটি রাজপরিবারের যে ঐতিহ্য এবং প্রতীকী তাৎপর্য, সেটিকে গুরুত্ব দেন। এটি না থাকলে তারা দুঃখ পাবেন। কিন্তু ব্রিটিশ জনগণের এক বিরাট অংশ আবার সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান দেখতে চান।

গতমাসে জরিপ সংস্থা ইউগভ একটি জরিপ চালিয়ে দেখেছে ব্রিটেনের ৬৩ শতাংশ মানুষ চায় ভবিষ্যতেও যেন রাজতন্ত্র অব্যাহত থাকে। কিন্তু প্রতি চারজনে একজন বলেছেন, তারা একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান চান। এই জরিপে প্রতি দশজনে একজন এই বিষয়ে কোন পক্ষেই মতামত দেননি।

ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের বয়স এখন ৯৪ বছর। গত প্রায় এক হাজার বছর ধরে কোন না কোন ভাবে ব্রিটেনে তাদের শাসন চালু আছে। মাঝখানে একবারই মাত্র এতে ছেদ ঘটেছিল, সপ্তদশ শতকে ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধের পাঁচ বছর।

ব্রিটেনে রাজা বা রানির বেশ কিছু সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে হয়। যেমন পার্লামেন্টের তৈরি আইনে সই করা, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করা এবং পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকা। কিন্তু রাজতন্ত্রের অনেক ক্ষমতাই এখন খর্ব করা হয়েছে।

রানি এলিজাবেথ একই সঙ্গে কমনওয়েলথের সদস্য ৫৪টি দেশেরও রানি, যে জোটটি গড়ে উঠেছে একসময়ে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন দেশগুলোকে নিয়ে।

“আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি আমাদের আর রাজতন্ত্রের দরকার নেই। আমি বুঝতে পারি না এটা রেখে লাভটা কি। এটা আসলে ভিন্ন একটা সময় আর উপনিবেশবাদের একটা ঘোর ছাড়া আর কিছু নয়,” বলছেন ডার্বির বাসিন্দা কার্সটেন জনসন, যিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

“রানি এলিজাবেথ যখন সিংহাসনে আসীন হলেন, আপনি যদি সেই সময়টার কথা ভাবেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার খুব বেশিদিন পরের ঘটনা নয়, তখন কমনওয়েলথ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা অবস্থায় ছিল। এটি ছিল আসলে অনেকটাই সাম্রাজ্যের ব্যাপার, অন্তত এখনকার তুলনায়।”

“সরকার চালানোর জন্য আমাদের নির্বাচিত লোকজন আছে, কাজেই আমি তো বুঝতে পারি না আমাদের রাজতন্ত্র কেন দরকার,” বলছেন এই নারী। “কাগজে-কলমে রানিকে সবকিছু সই করতে হয়, কিন্তু আসলে তিনি তো কেবল আলংকারিক প্রধান- আর তাকে পোষার খরচটাও তো কম নয়।”

২০২০ সাল রাজপরিবারের পেছনে ব্রিটেনের করদাতাদের সাড়ে নয় কোটি ডলার খরচ হয়েছে, রাজপরিবারের পক্ষ থেকেই দেয়া হয়েছে এই তথ্য। এটি এযাবতকালের সর্বোচ্চ ব্যয়।

রাজপরিবারের পেছনে ব্যয় করা এই অর্থকে বলা হয় ‘রাজকীয় মঞ্জুরি’, রাণীর কাজ-কর্ম এবং তার পরিবারের ব্যয়, রাজপরিবারের ভ্রমণ এবং রাজপ্রাসাদগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের খরচ নির্বাহ করা হয় এই তহবিল থেকে।

বাকিংহাম প্রাসাদের সাম্প্রতিক সংস্কার এবং প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেলের সাবেক নিবাস ফ্রগমোর কটেজের উন্নয়ন কাজও এই তহবিলের অর্থ দিয়ে করা হয়েছে।

“করদাতাদের অর্থ দিয়ে কিন্তু রাজপরিবারের দূরসম্পর্কের সদস্যদেরও সহায়তা করা হয়, কারণ তাদের উপাধি-বলে তারা কোন একটা কাজ বা দায়িত্ব পান, এক ধরনের সুরক্ষা পান। কিন্তু তারা আসলে দেশের জন্য কি করেন? আমি বলছি না যে তারা একেবারেই কিছু করেন না। কিন্তু তারা এমন বিশেষ কি করেন যা অন্য কেউ করতে পারবেন না? কেবল রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত কাউকেই করতে হবে,” বলছেন কার্সটেন।

“রানি এলিজাবেথ অনেকদিন রাজত্ব করেছেন এবং তিনি বেশ মর্যাদার সঙ্গেই কাজটা করেছেন। তাকে একজন চমৎকার মানুষ বলেই মনে হয়। কিন্তু আমি এখন পর্যটক আকর্ষণ ছাড়া রাজতন্ত্রের আর কোন প্রয়োজন দেখতে পাই না। আর যে পর্যটকরা বাকিংহাম প্রাসাদ দেখতে চান, রাজতন্ত্র না থাকলেও তারা সেটা দেখতে যেতে পারবেন।”

রানি এবং তার নিজের পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে বলা হয় ‘ওয়ার্কিং রয়্যালস’, অর্থাৎ তারা প্রত্যেকেই কাজ করেন। যুক্তরাজ্যে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তারা বছরে দুই হাজারের বেশি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তারা নানা ধরনের অনুষ্ঠান এবং দাতব্য কাজের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য শক্তিশালী করা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখায় ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হয়।

“আমার দৃষ্টিতে রাজপরিবার যেন খুবই সুবিধাভোগী কিছু আমলা, যারা জন্মসূত্রেই তাদের কাজটা পেয়ে গেছেন এবং যাদের সেই পদ থেকে সরানো যাবে না,” বলছেন স্যামি নাইট।

তার জন্ম কানাডায় এবং বেড়ে উঠেছেন সেখানে, কিন্তু স্যামি এখন ব্রিটিশ নাগরিক। তার বিশ্বাস ভবিষ্যতের যুক্তরাজ্য বা কমনওয়েলথে রাজতন্ত্রের কোন স্থান নেই।

“আমার মতে, রানি মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজতন্ত্রের মৃত্যু ঘটবে। রাজতন্ত্রের কী হলো সেটা নিয়ে আমি ভাবি না, তবে আমি মনে করি ব্যক্তিগতভাবে রানি একজন অসাধারণ মানুষ। প্রিন্স ফিলিপ যে মারা গেছেন সেজন্য আমি দুঃখিত, কারণ রানি এখন একদম একা।”

“রানি এবং ডিউক অব এডিনবারা যে কাজ করেছেন, আমি তার প্রশংসা করি। তারা অসাধারণ জীবন কাটিয়েছেন। আমার মনে হয় তাদের বয়স সত্ত্বেও জনসেবায় তারা অসাধারণ আত্মত্যাগ করেছেন।

“কিন্তু রাজপরিবারের তরুণ সদস্যদের আমি মোটেই পছন্দ করি না। ব্রিটেনে এখন একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগের সময় এসেছে।”

রাজপরিবারের ব্যাপারে চালানো জরিপটির তথ্য যদি বয়স-ভেদে ভাগ করা হয়, তাহলে দেখা যায় বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে একটা বিরাট ফারাক আছে। যাদের বয়স ১৮ হতে ২৪, তাদের মধ্যে রাজতন্ত্রের পক্ষে সমর্থন সবচেয়ে কম, আবার যাদের বয়স ৬৫ বা তার বেশি, তাদের একটা বিরাট অংশই রাজপরিবারকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে।

ব্রিটেনের বিভিন্ন অংশের মধ্যেও রাজপরিবারের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় ধরনের তারতম্য দেখা যাচ্ছে এই জরিপে। স্কটল্যান্ডের মাত্র অর্ধেক মানুষ রাজতন্ত্রের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। ব্রিটেনের কোন একটি অঞ্চলে রাজপরিবারের ব্যাপারে এত কম সমর্থন আর দেখা যায়নি।

“একজন স্কটিশ হিসেবে রাজতন্ত্রকে আমার খুবই দূরবর্তী এবং ভিনদেশি একটা ব্যাপার বলে মনে হয়,” বলছেন একজন শিশু-যত্ন কর্মী ম্যাথিউ বার্টন-ওয়েবস্টার। “যদি ওদের কেউ একজন মারা যায়, তখন, অথবা আমাদের পাউন্ডের নোট দেখেই কেবল আমাদের মনে পড়ে যে রাজতন্ত্র বলে কিছু আছে।”

“তারা নিজেদেরকে স্কটল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকার মালিকানার উপাধি দেয়, এখানে তাদের ব্যক্তিগত জমিদারিতে ছুটি কাটাতে আসে। কিন্তু তারা এখানে এর বিনিময়ে কিছু দেয় বলে মনে হয় না। তারা আসলে একটি অর্থহীন ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান এবং ঐতিহ্য, যেটি থেকে তারা নিজেরা ছাড়া আর কেউ ফায়দা পায় না।”

তবে সবাই রাজতন্ত্র পুরোপুরি বিলোপের পক্ষে নন। একজন অবসরপ্রাপ্ত রাজনৈতিক পরামর্শক স্টিফেন এলিসন বরং আংশিক সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে।

“রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা যে ঐতিহ্য এবং ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন, আমি আসলে সেটা পছন্দ করি। কিন্তু রাজপরিবারে গৌণ সদস্যের সংখ্যা খুব বেশি,” বলছেন তিনি।

“আমাদের আসলে কেবল দরকার রানি এবং প্রিন্স অব ওয়েলস- আমি হয়তো এরপর প্রিন্স উইলিয়াম এবং প্রিন্স জর্জকে রাখবো, কারণ তারা উত্তরাধিকারের লাইনে এর পরেই আছে। কিন্তু এরপর আসলে আমাদের আর ডজন ডজন প্রিন্স বা প্রিন্সেসের দরকার নেই।

“কাজেই, আমি বলছি রাজপরিবারের কিছু সদস্যকে রাখা যেতে পারে, কিন্তু সবাইকে নয়।”

যুক্তরাজ্যে জনগণের সম্মতির ভিত্তিতেই রাজতন্ত্র তাদের কাজ চালায়, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্রিটিশ রাজতন্ত্র নিয়ে অনেক বিতর্ক চলছে।

তবে যারা রাজতন্ত্রের অবসান চান, বলতেই হচ্ছে, তারা এখনো দেশের মোট জনসংখ্যার এক সংখ্যালঘু অংশ।

fXinmwalink@tg
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow iNews Zoombangla On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from iNews Zoombangla in your Google news feed.

Follow iNews Zoombangla On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
জুমবাংলা নিউজ ডেস্ক
  • X (Twitter)

Azad is a Journalist. He is the Sub-Editor of Zoom Bangla News. He is also a good writer.

Related Posts
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

June 26, 2026
ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসায় আবেদনের নতুন নিয়ম

June 26, 2026
বাকিংহাম প্যালেস

ঐতিহ্য ভেঙে বাকিংহাম প্যালেসে না থাকার সিদ্ধান্ত চার্লসের

June 26, 2026

Latest News

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসায় আবেদনের নতুন নিয়ম

বাকিংহাম প্যালেস

ঐতিহ্য ভেঙে বাকিংহাম প্যালেসে না থাকার সিদ্ধান্ত চার্লসের

health tips world

ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা : সামান্য ভুলেই বাতিল হতে পারে আবেদন, সঠিকভাবে করবেন যেভাবে

Juta

এবার ‘মন ভালো’ করবে নাইকির জুতো!

রাজা চার্লস

১ কোটি পাউন্ডেরও বেশি কর দিয়ে শীর্ষ করদাতাদের তালিকায় রাজা চার্লস

সিন্দুর

‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত ছয় সেনার নাম প্রকাশ করল ভারত

চীন

‘উন্নয়ন ও সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নতুন সরকারের পাশে থাকবে চীন’

হিজবুল্লাহ

লেবানন ছাড়তে ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি হিজবুল্লাহর, কঠোর জবাবের বার্তা ইরানের

ভূমিকম্প

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫, আহত ৪৩০০ ছাড়াল

 

Inews

iNews Zoombangla is your trusted destination for fast, accurate, and relevant English news. We cover Bangladesh, world affairs, technology, business, sports, entertainment, lifestyle, science, and research for English-language readers. iNews Zoombangla is the English news edition of ZooBangla.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

tgXwa