
ইতি গত বছর কাশিনগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। পাস করতে না পারায় আগামীবারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
নিহতের পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ লাল মিয়ার স্ত্রী জামেনা, মেয়ে নাজমা ও ভাই চান মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করে পুলিশ। তবে বাকি অভিযুক্তরা ঘটনার পর পলাতক। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
গতকাল ইতিদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনায় মরদেহ পড়ে আছে। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। মা, বাবা, অন্য বোনেরা আহাজারি করছিলেন। বাবা সাহেদ পাগলের মতো বলছেন, ‘রিপন আমার ছেড়িডারে বল্লম দিয়া ঘা দিয়া মারছে। হেরেও একটা ঘা দেইন।’ মা শিরিন আক্তারও মরদেহের সামনে আছড়ে পড়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। প্রতিবেশীরা জানায়, ইতি ভাই শহিদকে বাঁচাতে বল্লমের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বল্লমটি তার গলায় গেঁথে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইতি মারা যায়। সূত্র: কালের কন্ঠ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



