
গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) জানিয়েছে, ইইউতে রপ্তানি হওয়া ভারতীয় পণ্যের প্রায় ৮৭ শতাংশ এখন থেকে পূর্ণ এমএফএন বা সাধারণ শুল্কহারে দেশটিতে প্রবেশ করবে। আগে জিএসপি সুবিধার আওতায় এসব পণ্যে গড়ে ২০ শতাংশ শুল্ক ছাড় পাওয়া যেত। উদাহরণস্বরূপ, যে তৈরি পোশাকে আগে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো, এখন সেখানে ১২ শতাংশ শুল্ক গুণতে হবে।
ইইউ ভারতের মূল রপ্তানি খাতগুলোতে এই কাঁচি চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে খনিজ, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, বস্ত্র ও পোশাক, লোহা-ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও বৈদ্যুতিক পণ্য। মাত্র ১৩ শতাংশ পণ্য, বিশেষ করে কৃষি ও চামড়াজাত পণ্যে এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত তিন বছরের জন্য এই সুবিধা পুরোপুরি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনসের (এফআইইও) মহাপরিচালক অজয় সাহাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর তুলনায় ভারতের সক্ষমতা কমে যাবে। কারণ ওই দেশগুলো এখনো শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে ইউরোপে পণ্য পাঠানোর সুবিধা পাচ্ছে।
ভারতের জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব জানান, জিএসপি সুবিধা হারানো এবং একই সময়ে ইইউর নতুন কার্বন কর বা সিবিএএম চালু হওয়া—এই দুই মিলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। ভারত ও ইইউর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা চললেও, স্বল্প মেয়াদে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



