ইরানকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে বাধ্য করতে মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত সৈন্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলমান যুদ্ধ অবসানে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতেই মার্কিন প্রশাসন এই বিশাল সামরিক সমাবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, প্রায় ৬ হাজার সৈন্য নিয়ে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে অবস্থান নিতে পারে। এছাড়া চলতি মাসের শেষের দিকে আরও প্রায় ৪ হাজার ২০০ সৈন্য তাদের সাথে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সৈন্য মোতায়েনের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী ২২ এপ্রিল ইরানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, আর ঠিক সেই সময়েই মার্কিন সামরিক শক্তি সেখানে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পেন্টাগন কেবল সৈন্য মোতায়েনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলা বা স্থল অভিযানের কথাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
এই সম্ভাব্য অভিযানের মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়া, হরমুজ প্রণালি রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে মেরিন সেনা নামানো এবং ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিশন।
আরও পড়ুনঃ
তবে এই পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর বা পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এই পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


