
এইচএমজি বাসা বলেন, ‘আমি অনেক নারীকে মন্দিরে এসে প্রার্থনা করার জন্য ভিড়ে গুঁতোগুঁতি করতে দেখতাম। ছয় মাস আগে যখন গ্রামবাসীরা মন্দিরটি সংস্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমার জমির একটি ছোট অংশ ছেড়ে দেব। এখানে তৈরি হওয়া মন্দিরে বসে শান্তিতে প্রার্থনা করতে পারবেন।’
ছয় মাস আগে যখন মন্দিরের ট্রাস্টিরা মন্দিরটি সংস্কারের জন্য তার কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন, তখন তিনি সেই প্রস্তাব শুনে খুব খুশি হয়েছিলেন। এই গোটা ঘটনা মন কেড়েছে নেটপাড়ার।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



