
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিবৃতিতে মন্ত্রী এসব কথা জানান।
কোভিড ১৯ এর বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে নিয়ন্ত্রণ আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে বৃহৎভাবে যৌথ অভিযানে নামার পরিকল্পনা করছেন দেশটির অভিবাসন বিভাগ।
এ অভিযানে শুধু অবৈধ শ্রমিকদের বিপদই নয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিপদের সংকেত দেওয়া হয়েছে মালিকদেরও। মন্ত্রণালয় থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কোনো কোম্পানি যেন অবৈধ শ্রমিক অথবা অন্য কোম্পানির শ্রমিক ব্যবহার না করে।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত আটক করা না গেলে পরবর্তীতে অবৈধ অভিবাসীরা আক্রান্ত হয়ে অন্য কোনও জায়গায় চলে গেলে পরে নতুন ক্লাস্টার শুরু করা হলে কর্তৃপক্ষের পক্ষে যোগাযোগের ব্যবস্থা করা কঠিন হবে। দেশটিতে থাকা যে সকল অবৈধ অভিবাসী বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে রয়েছে তাদের দ্রুত বের করে করোনা পরীক্ষা করতে হবে নাহয় পরে তাদের চিহ্নিত করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশটির অভিবাসন বিভাগ, পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ প্রায় ৩ শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে কুয়ালালামপুরের মসজিদ ইন্ডিয়া ও মিনারা সিটি ওয়ানসহ বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী, বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অনিবন্ধিত প্রায় ৫৮৬ জন অবৈধ অভিবাসীদের আটক করে ডিটেনশন ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



