
তারপরও কোনো পুলিশ সদস্য যদি মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করেন এবং দুর্ঘটনার শিকার হন তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রোববার (৩১ মার্চ) পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিমের সই করা এক চিঠিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ মার্চ পুলিশ সদরদপ্তরে পুলিশ মহাপরিদর্শকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুলিশ সদস্যদের মোটরসাইকেল ব্যবহার সংক্রান্ত এক সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঢাকায় কর্মরত পুলিশ সদস্যরা ছুটিতে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল এবং সরকারি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হন বা আশঙ্কা থাকে। তাই ছুটির সময়ে পুলিশ সদস্যদের মোটরসাইকেল জমা রাখতে হবে এবং ছুটি শেষে কাজে যোগদানের পর পুনরায় মোটরসাইকেল ইস্যু করে নিতে হবে।
ছুটিতে যাওয়ার আগে নিজ নামে ইস্যুকৃত সরকারি মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট ইউনিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করার পরই ছুটির ছাড়পত্র প্রদান করা হবে।
চিঠিতে বলা হয়, যদি কোনো পুলিশ সদস্য মোটরসাইকেল জমা না দিয়েই ছুটি নিয়ে চলে যান তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব নিয়ম মেনে কেউ মোটরসাইকেল পেলেও মহাসড়কে ব্যবহারের জন্য তার অবশ্যই বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। বৈধ লাইসেন্স ব্যতীত কোনো পুলিশ সদস্য মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমপির এক পুলিশ সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, ঈদে একদম শেষ মুহূর্তে ছুটি মিললে তখন দূরপাল্লার বাসের টিকিট পাওয়া যায় না। তাই মোটরসাইকেল নিয়ে যেতেই বাধ্য হতে হয়। যদি সেটাও না নেওয়া যায় তাহলে ঈদে আগের দিন ছুটি পেলেও বাড়ি যাওয়া হয়ে উঠবে না।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



