যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এক বছরের মধ্যেই অভিবাসন নীতি বা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এসব পরিবর্তনের ফলে শুধু অবৈধ অভিবাসন নয়, বৈধ অভিবাসনও আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি

Advertisement

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে এসে তিনি বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাও কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনছেন। নিচে নতুন অভিবাসন ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পরিবর্তন তুলে ধরা হলো—

যাচাই-বাছাই আরও কঠিন হবে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) এখন আবেদনকারীদের আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করছে। নাগরিকত্ব পরীক্ষাও কঠিন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভালো নৈতিক চরিত্র, সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং ইতিবাচক অবদানের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে।

জালিয়াতি ধরতে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিবাসন পুলিশ ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আটকে যাচ্ছে আবেদন

ট্রাম্প প্রশাসন গত এক বছরে কয়েক ডজন দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যেসব দেশের ওপর নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে, সেসব দেশের নাগরিকদের আশ্রয় ও অভিবাসন আবেদন কার্যত স্থগিত হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে থাকা এসব দেশের নাগরিকরাও এখন ভিসা নবায়ন বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে ধারণা।

কমছে ওয়ার্ক পারমিট তথা কাজের ভিসার মেয়াদ

বিদেশি কর্মীদের জন্য কাজের অনুমতির মেয়াদ কমিয়ে ৫ বছর থেকে ১৮ মাস করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এতে জালিয়াতি কমবে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করা সহজ হবে। তবে এতে বৈধভাবে কাজ করা অভিবাসীদের অনিশ্চয়তা বাড়বে।

সরকারি সহায়তায় নেতিবাচক প্রভাব

নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অভিবাসী ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা নিতে পারেন কি না, তা আবেদন মূল্যায়নে নেতিবাচক হিসেবে ধরা হবে। যদিও অবৈধ অভিবাসীরা সরাসরি এসব সুবিধা পান না, তবে অনেক বৈধ অভিবাসী বা মিশ্র পরিবারের সদস্যরা এর আওতায় পড়বেন।

লাখো অভিবাসীর ‘লিগ্যাল স্ট্যাটাল’ বাতিল

ট্রাম্প প্রশাসন ১১টি দেশের নাগরিকদের জন্য টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) বাতিল করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ার প্রায় ৭৬ হাজার মানুষসহ মোট প্রায় ১০ লাখ মানুষ তাদের ‘লিগ্যাল স্ট্যাটাস’ তথা আইনি সুবিধা হারিয়েছেন।

এছাড়া কিউবান, হাইতিয়ান, নিকারাগুয়ান ও ভেনেজুয়েলানদের জন্য থাকা বিশেষ প্যারোল কর্মসূচিও বন্ধ করা হয়েছে। ফলে এসব মানুষ এখন বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

শনিবার লম্বা সময় ধরে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

হোয়াইট হাউস বলছে, এসব সিদ্ধান্ত মার্কিন জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য নেয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শ্রমবাজারে বৈধ কর্মী নিয়োগের সুযোগ রাখা হবে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.