
প্রস্তাবিত সমঝোতা অনুযায়ী, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
একটি দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, ১৯ জুন চুক্তিতে স্বাক্ষরের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে দুই দেশ পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
খসড়া অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করবে বলে উল্লেখ রয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকে, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর বিদ্যমান কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে, যাতে দেশটি আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রি করতে পারে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক ব্যাংকে আটকে থাকা প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার ইরানকে ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হিসেবে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একইসঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও পারমাণবিক স্থাপনা সম্প্রসারণ বন্ধ রাখার বিষয়েও সম্মত হয়েছে।
আল আরাবিয়ার সূত্র অনুযায়ী, এই খসড়া চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



