
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মারধর করে। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ থামাতে যা করা প্রয়োজন ছিল তারা তাই করেছে। দক্ষিণ দিল্লির ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের স্কুলগুলো সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দিল্লির শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ভারতের আরো কয়েকটি জায়গায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে কেরালাও রয়েছে। সংশোধিত এই আইনটিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে শরণার্থী হিসেবে হিন্দু, পারসি, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা আশ্রয় নিতে বাধ্য হলে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সেখানে প্রতিবেশী দেশ থেকে যাওয়া মুসলিমদের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষোভ করছে মানুষ। গত পাঁচ দিনের অস্থিরতায় সেসব জায়গায় মারা গেছে ছয় জন। বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জের ধরে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের গৌহাটিসহ ১০টি সংবেদনশীল এলাকায় কারফিউ চলছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



