
তৃতীয় ধাপে বেসবল, টেনিস, সফ্ট বল, হকি খেলা চলবে। ব্যায়ামাগারও খোলা যাবে। তবে দর্শনার্থীর সমাগম ঘটানো চলবে না।
উল্লেখ্য, এর আগে ৮ জুন এই সিটিতে লকডাউন উঠিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচলের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়। সে সময় খোলা হয় চুল কাটার দোকানসহ অফিস পল্লী। রেস্টুরেন্টের বারান্দায় চেয়ার-টেবিল বসিয়ে খাবারের অনুমতিও দেয়া হয়। দোকান-পাট খোলা হয়েছে। তবে সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা আছে।
এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ২৩৩ বাংলাদেশির প্রাণ ঝরেছে এই সিটিতে। এখনও বেশ কিছু প্রবাসী হাসপাতাল অথবা নিজ বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



