রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, তার উপজেলার চর গজারিয়া, তেলির চর, বয়ারচর, চর আবদুল্লাহ এলাকাসহ রায়পুর ও কমলনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২৭৫টি কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১৫৫টি।
অপরদিকে মেঘনায় অস্বাভাবিক জোয়ার ও প্রবল ঢেউয়ে নিমাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের কয়েক লাখ মানুষ।
জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা মানুষদের শুকনা খাবার ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া ৩৭৫টি মেট্রিক টন চাল, ২ হাজার ৫০০ বস্তা বিস্কুট ও নগদ ৮ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।




