
আজ বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যদের সহায়তায় তিনি কেন্দ্রে আসেন। লাঠিতে ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ভোটার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে সহযোগিতা করেন।
তাঁর সঙ্গে থাকা স্বজনরা জানান, বয়সের কারণে চলাফেরায় কষ্ট হলেও ভোট দেওয়ার ব্যাপারে হাফিজুর রহমান ছিলেন অনড়।
ভোট প্রদান শেষে হাফিজুর রহমান বলেন, ভোট দেওয়া আমার অধিকার। যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই। তাঁর কণ্ঠে ছিল আনন্দ ও গর্বের সুর।
কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, প্রবীণ এই ভোটারের উপস্থিতি অন্যদেরও উৎসাহিত করেছে। তরুণ ভোটাররাও তাঁকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন অনেকে।
স্থানীয়দের মতে, হাফিজুর রহমানের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে গণতন্ত্রের চর্চায় বয়স কোনো বাধা নয়। তাঁর মতো প্রবীণ নাগরিকের আগ্রহ ও সচেতনতা সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



