
ইউক্রেনে শান্তি ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এ বছরের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসেন জিলেনস্কি। ক্ষমতায় এসেই শান্তি প্রক্রিয়ায় কাজ করে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট। সর্বশেষ গত সপ্তাহে শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৩৫ জন ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দীকে মুক্তি দেয় রাশিয়া।
উল্লেখ্য, যুদ্ধবিরতি থাকা স্বত্ত্বেও ইউক্রেনের ডানবাসে ২০১৪ তে রাশিয়া সমর্থিত বাহিনী আক্রমণ করে বসে ইউক্রেনে। এরপর থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নতুন করে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ২০১৪ সালের পর থেকে রাশিয়া সমর্থিত বাহিনীর সাথে ইউক্রেনীয় বাহিনীর যুদ্ধে প্রায় ১৩০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন এ পর্যন্ত।
ইউক্রেন, পশ্চিমা বিশ্ব ও ন্যাটোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ইউক্রেন থেকে ডানবাসকে আলাদা করার উদ্দেশ্যে রাশিয়া প্রতিনিয়ত বিদ্রোহীদের সেনা ও গোলাবারুদ দিয়ে সাহায্য করে চলেছে। মস্কো তাদের স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে বলে, তারা কেবল বিদ্রোহীদের রাজনৈতিক ও মাববিক সহায়তা দান করে।
ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করে বলা হয়, রাশিয়া কেবল বিদ্রোহীদের মদদই দিচ্ছে না, ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্রোহী গ্রুপ তৈরিতেও কাজ করছে। রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করে।
গত সপ্তাহেই আফগানিস্তান শান্তিচুক্তি বিষয়ে তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। পরে আলোচনার ঠিক আগের দিন অপ্রত্যাশিতভাবে ট্রাম্প সে আলোচনা ভেস্তে দেন। জিলেনস্কি অবশ্য আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা আলোচনায় বসার জন্য মাসের শেষ সপ্তাহের জন্য অপেক্ষা করছি। আশা করি, আলোচনা অবশ্যই হবে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



