আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভিসার খরচ বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। আগামী জুন থেকে শেনজেনভুক্ত দেশের ভিসার খরচ ১২ শতাংশ বাড়ানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন স্লোভেনিয়ার পররাষ্ট্র ও ইউরোপীয় অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক মন্ত্রী।

Advertisement

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, বয়স্কদের জন্য আগে ভিসার খরচ ছিল ৮০ ইউরো। এখন সেটি হবে ৯০ ইউরো (প্রায় ১২ হাজার টাকা)। আর শিশুদের জন্য খরচ করতে হবে ৪৫ ইউরো। আগে ছিল ৪০ ইউরো।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যারা একত্রে কাজ করছে না, সেসব দেশে যেতে প্রত্যেকতে ভিসার জন্য খরচ করতে হবে ১৮০ ইউরো। আগে খরচ করতে হতো ১৩৫ ইউরো।

স্লোভেনিয়ার সরকার বলছে, স্বল্প সময় দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসার খরচ বাড়াচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন। খরচ বাড়ানো হবো ১২ শতাংশ। আগামী ১১ জুন থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তিন বছর পরপর খরচ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণে শেনজেনভুক্ত দেশে খরচ বেড়ে গেছে। আর সে কারণেই ভিসার খরচ বাড়ানো হলো।

এর আগে গত এপ্রিলে শেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এতে বলা হয়, এখন ভারত থেকে শেনজেনভুক্ত সব দেশের জন্য ভিসার আবেদন করা যাবে। এই ভিসার মেয়াদও থাকবে অনেকদিন। এতে করে ইউরোপের ২৯টি দেশে এই ভিসা দিয়ে যাওয়া যাবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, গত ১৮ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে। শেনজেনের আওতায় রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি সদস্য দেশ এবং এ জোটের বাইরের দেশ আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও লিচেনস্টাইন।

নতুন নীতিতে বলা হয়, ভারতীয়রা দুই বছরের জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরে পাঁচ বছরের ভিসাও পাবেন তারা। ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এবং অভিবাসন আরও সহজ করতেই এই ব্যবস্থা বলে জানা গেছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.