
ভারত সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, উপত্যকায় স্থিতাবস্থা ফিরে আসায় রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। ওমরেরর মুক্তির বিষয়ে কেন্দ্র কী ভাবছে, সম্প্রতি তা জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শীর্ষ আদালতের এই ভূমিকার পরেই তড়িঘড়ি ওমরের মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার।
গত বছরের ৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করে উপত্যকার বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার দিনই জম্মু-কাশ্মীরের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতিসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার বা গৃহবন্দি করা হয়েছিল। জম্মু কাশ্মীর ভেঙে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছিল ওই সময়েই। তার পর গোটা উপত্যকায় জারি হয়েছিল কড়া নিয়ন্ত্রণ। তখন থেকে বন্দি ছিলেন ওই নেতারা।
পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ১৩ মার্চ ফারুক আবদুল্লাকে মুক্ত করেছিল কেন্দ্র। এবার ওমর আবদুল্লাকে মুক্ত করা হল। সম্প্রতি দাদার মুক্তি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ওমর আবদুল্লার বোন। সেই মামলায় এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দিতে বলেছিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতিরা সরকার পক্ষের আইনজীবীকে বলেছিলেন, “তাকে (ওমর আবদুল্লা) যদি মুক্তি দিতে চাইছেন, তা হলে দ্রুত মুক্তি দিন।”
অন্য দিকে এখনও গ্রেফতার করে রাখা হয়েছে জম্মু কাশ্মীরের আর এক সাবেক আরেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিকে। তার বা অন্য নেতাদের মুক্তির বিষয়ে কেন্দ্র কী ভাবছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এর পরে মেহবুবা মুফতিসহ অন্য নেতা-নেত্রীদের মুক্তির সম্ভাবনাও জোরদার হল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



