
গতকাল শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে তার সহপাঠীরা কেরালার রাস্তায় ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে।
বিবিসির তথ্যমতে, ওই শিক্ষার্থীকে সাপে কামড় দেয়ার পর সময়মত হাসপাতালে নিতে বিদ্যালয়ের কর্মচারিরা অবহেলা করায় এমনটি ঘঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যরা।
শিক্ষার্থীকে কামড় দেয়ার আগে সাপটি শ্রেণিকক্ষে কংক্রিটের একটি মেঝেতে লুকিয়েছিলো বলে ধারণা করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
শেরিনের সহপাঠীরা বলছেন, আমাদের সহপাঠী শেরিনকে সাপে কামড় দেয়ার পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার চিকিৎসা সহায়তার বিষয়টি নাকচ করে দেয়ার কারণে শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হযেছে। তারা আরও বলছেন, শেরিনকে সাপে কামড় দেয়ার ১ ঘণ্টা পর তার বাবা এসে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজ্যের শিক্ষা অধিদপ্তর স্থানীয় সব বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণিকক্ষ, মাঠ এবং বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত জায়গা পরিদর্শন করে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
কেরালা রাজ্য মানবাধিকার কমিশনসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থা এ ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত করছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



