
কারণ সেনাবাহিনী এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করে আসছে। আর সেনাবাহিনীর দ্বারাই বর্তমান সংবিধান প্রণীত। সংবিধানে কোন ধরনের পরিবর্তনের বিরোধিতা করার মতো পর্যাপ্ত আসন সেনাবাহিনীর কর্তত্বে রয়েছে। সু চি’র ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমক্রেসি (এনএলডি) সংবিধানের বেশ কিছু ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করে। এর বেশিরভাগ সেনা-সমর্থিত এমপি’রা আটকে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রস্তাবগুলোর উপর ধারাবাহিকভাবে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে যা ২০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।
এর আগে মঙ্গলবার মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সংবিধানে সেনাবাহিনীকে যে রাজনৈতিক ক্ষমতা দেয়া হয় তা খর্ব করার জন্য ভোটাভুটি হয়। তাতেও হেরে গেছে এনএলডি। প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় ৭৫ শতাংশ এমপি’র সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়। ২০২০ সালের নির্বাচনের পর থেকে পার্লামেন্টে সেনাবাহিনীর সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ক্রমান্বয়ে ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছিলো এনএলডি।
এর মধ্যে ২০২৫ সালের পর ১০ শতাংশ ও ২০৩০ সালের পর ৫ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবটি ৪০৪ ভোট পায়, যা ৬২ শাতংশের কম। সংবিধান সংশোধনের জন্য অন্তত ৭৫ শতাংশ এমপি’র সমর্থন প্রয়োজন। এসএএম,এপি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



