আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর ভারতে আশ্রয় নেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কলকাতাতে থাকাকালীন সময়েও বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। তার একটি বইকে কেন্দ্র করে রোষের মুখে পড়ে কলকাতা ছাড়তে হয় তাকে। আপাতত তিনি দিল্লিবাসী। তবে সম্প্রতি পাঁচবছরের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর দাবি জানান তসলিমা কিন্তু ভারত সরকার এই মেয়াদ মাত্র তিন মাস বাঁড়িয়েছে।

এরপর বুধবারই তিনি জানান যে তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। তবে সেটা মাত্র তিন মাসের জন্য। তসলিমা জানান, প্রত্যেকবারই তিনি পাঁচ বছরের ভিসার মেয়াদের জন্য আবেদন জানান, কিন্তু মাত্র এক বছরের জন্য ভিসা মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। এবারও তিনি পাঁচ বছরের জন্যই আবেদন করেছিলেন। কিন্তু মাত্র তিন মাসের জন্য সেই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
এই বিষয়ে আবারও তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিশিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলকে মেনশন করে তসলিমা লিখেছেন, যাতে তার আর্জি পুনর্বিবেচনা করা হয় আর অন্তত এক বছরের জন্য বাড়ানো হয় ভিসার মেয়াদ।
এর কয়েক ঘণ্টা বাদে ফের একটি ট্যুইট করেন তসলিমা। সেখানে তিনি মনে করিয়ে দেন যে ভিসার মেয়াদ ৫০ বছরের জন্য বাড়িয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাই অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি ফের সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন।
তসলিমাকে অবশ্য এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে আগেও। একসময় তার ভিসার মেয়াদ মাত্র দু’মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছিল। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে সুইডেনের নাগরিক তসলিমা নাসরিন। ২০০৪ সাল থেকে তসলিমা ভারতীয় ভিসা পেয়ে আসছেন।
উল্লেখ্য, লেখা নিয়ে বিতর্কের জেরে হুমকির প্রেক্ষিতে ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল তসলিমা নাসরিনকে। গত ২০ বছরে তসলিমা আমেরিকা এবং ইউরোপেও থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে ভারতে, বিশেষ করে কলকাতায় থাকতে চেয়েছেন তিনি। ২০০৭ সালে একটি ঘটনার জেরে তসলিমাকে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


