
নেচার এমএস বলেন, আমার প্রিয় বন্ধু হচ্ছে মৌমাছি। আমার ইচ্ছা অন্যরাও মৌমাছিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ুক। বাবার সঙ্গে থেকেই মৌমাছির সঙ্গে চলার কৌশল আয়ত্ব করেছি। সাত বছর বয়স থেকে তাদের মুখ ও মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াই। এখন ৬০ হাজারের বেশি মৌমাছি নিজের মাথা ও মুখে বসাতে পারি।
নেচারের ভাষ্য, সমাজের বাস্তুতন্ত্র ঠিক রাখতে মৌমাছির ভূমিকা অসামান্য। তারা সমাজবদ্ধ জীবও বটে। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করে চললে মানুষেরা লাভবান বেশিই হবে। নেচারের এমএস’র বাবা সূর্যকুমার একজন পুরস্কার প্রাপ্ত মধু চাষী। দুই বছর আগে একইভাবে মৌমাছি সংরক্ষণ ও মধু চাষে সচেতনতা বাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন এই নেচার এমএস।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



