
মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে তৃতীয় পবিত্রতম এ মসজিদ। আপাতত জেরুজালেমে সবরকম জমায়েত বন্ধ। মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ও বন্ধ। স্কুল-কলেজ, রেস্তোরাঁ সবই বন্ধ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) থেকে সেখানে শুরু হচ্ছে এবারের রোজা। তবে তা নিয়ে এখন ফিলিস্তিনিদের মন খারাপ। পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দা আম্মার বাকির বললেন, আল আকসা মসজিদ কখনও বন্ধ থাকতে পারে এটা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি। মসজিদ বন্ধের প্রভাব পড়ছে জনগণের মধ্যে। সবার মন খারাপ। পবিত্র রোজা এবাবে কাটবে আমরা মেনে নিতে পারছি না। মসজিদ চত্বরে কোনও মানুষ নেই। স্বপ্নেও এমন ছবি দেখিনি কখনও।
সারা বিশ্বে মহামারি রূপ ধারণ করেছে করোনা। এর মাঝে ২২ মার্চ থেকে আল আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। নামাজ আদায় বন্ধ বলে ঘোষণা করে দেয় জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ কাউন্সিল। গত ১৬ এপ্রিল এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এ নিষেধাজ্ঞা এবারের রমজান মাস জুড়ে অব্যাহত থাকবে। তারাবির নামাজ এবার বাড়িতেই আদায় করার অনুরোধ করে কর্তৃপক্ষ। নামাজ আদায় বন্ধ থাকলেও আল আকসায় যথারীতি পাঁচ ওয়াক্ত আজান দেওয়া হবে।
আল-আকসার পরিচালক শেখ ওমর আল-কিসোয়ানি বলেছেন, গত ১৪০০ বছরে এমন কখনও হয়নি। সবার মনে কষ্ট হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এই ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।
ফিলিস্তিনে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা ৩৩৫। প্রাণহাণি হয়েছে দুজনের।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



