আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন ১৫৩ জন বিমানের যাত্রী। ভারতের লখনউ বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেছে ভিস্তারার একটি বিমান। বৈরি আবহাওয়ার কারণে একাধিক বিমানবন্দরে নামার চেষ্টা করায় আকাশে ঘুরে জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। পরে লখনউয়ের আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হলে জরুরি অবতরণ করে মুম্বাই থেকে দিল্লিগামী বিমানটি। সোমবারের ঘটনা হলেও আজ নজরে এসেছে সবার।

কিন্তু ইলাহাবাদের দিকে যাওয়ার পথে লখনউ এটিসি থেকে ফের জানানো হয়, লখনউয়ের আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। অবতরণে সমস্যা হবে না। তখন পাইলট লখনউয়ের দিকে ফিরে এসে অবতরণের অনুমতি চান এবং ‘জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেন। শেষ পর্যন্ত এটিসির অনুমতি নেওয়ার পর নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।
ইলাহাবাদ থেকে ফেরার পথেই ‘ফুয়েল মে-ডে’ (জ্বালানি জরুরি) ঘোষণা করেন পাইলট। বিমানের জ্বালানি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের কম হলেই এটিসিতে এই বিপদ সঙ্কেত পাঠান পাইলট। সাহায্যের আবেদন জানানো হয়। ভিস্তারার বিমানের পাইলট এই ‘ফুয়েল মে-ডে’ ঘোষণার পরই জরুরি অবতরণের অনুমতি দিয়ে দেয় লখনউ বিমানবন্দরের এটিসি।
কিন্তু কেন এমন জ্বালানি-শূন্য পরিস্থিতি তৈরি হলো? সাধারণত, মুম্বাই-দিল্লি বিমানযাত্রায় সময় লাগে ৫০ মিনিটের মতো। তারপরেও আরও এক ঘণ্টা উড়ার মতো জ্বালানি নিয়ে আকাশে উড়ে বিমানগুলো। এক্ষেত্রে দিল্লি থেকে প্রথমে লখনউ, সেখান থেকে ইলাহবাদের দিকে যাওয়া এবং আবার লখনউয়ে ফিরে আসার জেরে প্রায় এক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় আকাশে উড়তে হয়েছিল বিমানটিকে। সেই কারণেই অতিরিক্ত জ্বালানিও প্রায় শেষ হয়ে যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


