
ছাথাম ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক কেভিন হাতালা এ ব্যাপারে বলেন, ওই সময় মানুষ কীভাবে চলাচল করতো এবং খাদ্যের জন্য কী ধরনের কৌশল অবলম্বন করতো, তা জানা যাবে। বিভিন্ন ধরনের জীবাশ্ম, আগ্নেগিরির পাশে চারশ পায়ের ছাপ ওই সময়ের মানুষের আচরণ সম্পর্কে আমাদেরকে জানতে সাহায্য করেছে।
২০০৯ সালে প্রথম এটি আবিষ্কার হয়। তখন থেকেই এ ব্যাপারে গবেষণা চলছে। প্রথমে মাত্র ৫৬ টি পায়ের ছাপ পাওয়া যায়। পরে মোট চারশ ছাপ পাওয়া যায়। গবেষকরা বলছেন, পায়ের ছাপের আকার এবং কতদূর পর পর সেইসব ছাপ পড়েছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



