দীর্ঘ আড়াই বছর পর ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার মাধ্যমে প্রেক্ষাগৃহে ফিরেন বলিউড অভিনেতা রণবীর সিং। আদিত্য ধর নির্মিত এ সিনেমা গত বছর মুক্তি পায়। মুক্তির পর বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল। ফলে এ সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে প্রত্যাশা বেড়ে যায় ভক্ত-অনুরাগীদের।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মুক্তি পাবে ‘ধুরন্ধর টু’ সিনেমা। মুক্তির আগেই তোলপাড় চলছে। বলিউড হাঙ্গামা বিষয়টি নিয়ে বক্স অফিস সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মত—ভারতে ১ হাজার কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩২১ কোটি টাকা) আয় করবে সিনেমাটি।
‘ধুরন্ধর টু’ সিনেমা আশাবাদী বক্স অফিস বিশ্লেষক তরণ আদর্শ। তিনি বলেন, “আশা করি সিনেমাটি নতুন একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘পুষ্পা টু’ (২০২৪), ‘জওয়ান টু’ (২০২৩) এবং ধুরন্ধরের প্রথম অংশ প্রমাণ করেছে যে, দর্শকদের চাহিদাপূরণ করতে পারলে ব্যবসার ক্ষেত্রে আকাশ হবে সীমা।”
বিহারের পূর্ণিয়ার রূপবাণী সিনেমার মালিক বিশেক চৌহান স্পষ্টভাবে বলেন, “ধুরন্ধরের জন্য ১ হাজার কোটি রুপির কম আয় করলে আমি সন্তুষ্ট হব না।”
ব্যাখ্যা করে অতুল মোহন বলেন, “এটা পুরোপুরি সম্ভব। অতীতে ‘পুষ্পা টু’ টপকে যায় ‘পুষ্পা’ সিনেমার লাইফটাইম ব্যবসা। একইভাবে ‘বাহুবলি টু’ সিনেমার আয় ‘বাহুবলি’ সিনেমার চেয়ে বেশি ছিল।”
জি স্টুডিওসের সাবেক সিইও শরিক প্যাটেল বলেন, “১ হাজার কোটি রুপি আয় অবশ্যই সম্ভব। তবে নেতিবাচক দিক হলো, প্রথম অংশ এতটাই হাইপ তৈরি করেছে যে সিক্যুয়েলে সেই গতি বজায় রাখতে হবে। তারা প্রথম অংশে সেটা করতে পেরেছিল, যদিও সিনেমাটির দৈর্ঘ্য ছিল ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। আদর্শভাবে, সিক্যুয়েলটিকে পূর্ববর্তী অংশের সমকক্ষ হতে হবে। তবে এ বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে আশাবাদী হওয়াই ভালো।”
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
পাশাপাশি শরিক প্যাটেল বলেন, “ইন্ডাস্ট্রি এখন আশাবাদী। আশা করি, এই অর্থ পুনরায় ইন্ডাস্ট্রিতে ফিরে আসবে, যাতে নির্মাতারা আরও সিনেমা বানাতে পারেন। সামগ্রিক বিনিয়োগ কমে গেছে, আর ধুরন্ধরের মতো সিনেমা একটি ‘বুস্টার শট’ হিসেবে কাজ করতে পারে।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


