মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ভিড়েছে ‘এমটি শিউ চি’ নামের একটি ট্যাংকার। সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আমদানি করেছে এই ডিজেল।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে আরও চারটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার। এসব ট্যাংকারে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন ডিজেল রয়েছে।
সিঙ্গাপুর থেকে আজ রাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘লিয়ান হুয়ান হু’ নামের আরেকটি ডিজেলবাহী ট্যাংকার। এটিতে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’। এটিতে ৩০ হাজার ৪৮৪ টন ডিজেল রয়েছে। ‘র্যাফেলস সামুরাই’ নামের ট্যাংকারটি পৌঁছানোর কথা আগামী শনিবার। একই সময়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘চ্যাং হ্যাং হং টু’ নামের ট্যাংকার। এই দুটিতে প্রায় ৩০ হাজার টন করে ডিজেল রয়েছে।
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নয়টি দেশ থেকে ২৩ লাখ ২৮ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে ৭৮ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে কোনো ডিজেল আমদানি করা হয়নি।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সাপ্লাই চেইন ও বাংকারিং বিষয়ক সমন্বয় সভায় বলা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সব চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজকে চট্টগ্রাম বন্দরে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়া হবে। বন্দরের সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রমসহ সব লজিস্টিক সাপোর্ট আগের মতো নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বহির্নোঙরে অবস্থানরত সব জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সহযোগিতার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
চট্টগ্রাম বন্দরে আসা জাহাজসমূহের অধিকাংশ বাংকারিং ও সংশ্লিষ্ট জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎসগুলো সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াকেন্দ্রিক হওয়ায় বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব এখানে নগণ্য।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


