গ্রীষ্মের তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘরে এসি ব্যবহার করছেন। কিন্তু এ সময় একটি সাধারণ ধারণা প্রচলিত আছে—এসি চালু থাকলে ফ্যান ব্যবহার করা ঠিক নয় বা ফ্যান অকেজো হয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণাটি সঠিক নয়।

তাদের মতে, এসি ও সিলিং ফ্যান একসঙ্গে ব্যবহার করা শুধু সম্ভবই নয়, বরং এটি বেশ উপকারীও হতে পারে। একসঙ্গে ব্যবহার করলে ঘরের ভেতরের ঠান্ডা বাতাস দ্রুত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয় এবং এসির ওপর অতিরিক্ত চাপও কমে যায়।
সিলিং ফ্যান ঘরের সব কোণে বাতাস ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা অনুভূত হয়। এতে এসি কম সময় চালালেও চলে। তবে এ ক্ষেত্রে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখা জরুরি, যাতে ঠান্ডা বাতাস বাইরে চলে না যায়।
অনেকে এসি ও ফ্যান একসঙ্গে চালাতে দ্বিধা করেন বা আলাদাভাবে ব্যবহার করেন, যা বিশেষজ্ঞদের মতে অপ্রয়োজনীয়। বরং সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ও সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, এসির তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে রাখলে এবং ফ্যানের গতি কম রাখা হলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ খরচও কমে।
ধারণা করা হয়, শুধু এসি চালালে যেখানে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়, সেখানে ফ্যানের সঙ্গে ব্যবহার করলে খরচ তুলনামূলকভাবে কমে আসে। কারণ ফ্যান ঠান্ডা বাতাস সারা ঘরে ছড়িয়ে দেয়, ফলে এসিকে কম কাজ করতে হয়।
তাই গরমের মৌসুমে সঠিক নিয়মে এসি ও ফ্যান একসঙ্গে ব্যবহার করলে আরাম, কার্যকারিতা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়—সবই পাওয়া সম্ভব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


