কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ব্যয় সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন বাস্তবতার আভাস দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ওপেনএআই-এর ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সফটওয়্যার নির্মাতা ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের কার্যক্রম ও ব্যয় কাঠামো নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে।

গত ২৩ এপ্রিল চালু হওয়া GPT-5.5 মডেলের মূল্য আগের সংস্করণের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেন ব্যবহারে খরচ ধরা হয়েছে ৫ ডলার এবং আউটপুট টোকেনের জন্য ৩০ ডলার। আরও উন্নত GPT-5.5 Pro সংস্করণে এই ব্যয় বেড়ে ইনপুটে ৩০ ডলার এবং আউটপুটে ১৮০ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তবে ব্যবহারকারীদের মোট ব্যয় ৪৯ থেকে ৯২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বিশেষ করে স্বল্প আকারের প্রম্পট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। যদিও নতুন মডেল আগের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে কম আউটপুট তৈরি করছে, তবুও ব্যবহারকারীদের ব্যয় কমেনি।
এদিকে গত ৭ মে ওপেনএআই তাদের ফাইন-টিউনিং সুবিধা ধীরে ধীরে বন্ধ করার ঘোষণা দেয়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ৬ জানুয়ারির মধ্যে নতুন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে তারা GPT-5 পর্যায়ের সক্ষমতাসম্পন্ন ভয়েস মডেলসহ নতুন কিছু সেবা চালু করেছে, যেখানে ব্যবহারভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে।
শুধু ওপেনএআই নয়, পুরো এআই শিল্পেই মূল্য কাঠামোর পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। গিটহাব তাদের কোপাইলট সেবায় টোকেনভিত্তিক মূল্য পদ্ধতি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে ডিপসিক-এর মতো কিছু প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


