কৌতুকশিল্পী, অভিনেত্রী ও উপস্থাপক ভারতি সিং ‘দ্য কপিল শর্মা শো’ এবং ‘কমেডি সার্কাস’-এর মতো শোর মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। তার এনার্জেটিক কমেডি টাইমিংয়ের জন্য তিনি বিখ্যাত। ভারতি সিং তার স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়ার সঙ্গেও বিভিন্ন শোর সঞ্চালনা করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

ভারতি সিংয়ের পর্দায় হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি কোটি মানুষের মন জয় করলেও পর্দার পেছনের গল্পটা ছিল অনেকটা বিষাদময়। বর্তমান সময়ের বডি শেমিং কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষের শিকার হয়ে আসছেন একদম ছোটবেলা থেকেই। এমনকি নিজের মায়ের কাছ থেকেও তাকে শুনতে হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিত কথা।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে ভারতি সিং তার শৈশবের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, সেই সময় সমাজে শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করাকে কোনো অপরাধই মনে করা হতো না। কেউ কিছুটা স্থূল হলে সরাসরি ‘মোটা’ কিংবা গায়ের রঙ কিছুটা চাপা হলে অবলীলায় ‘কালো’ বলে ডাকা হতো। এসব মন্তব্যে অপর পাশের মানুষের মনে কতটা গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়, তা নিয়ে ভাবার অবকাশ ছিল না কারও।
তবে পরিণত বয়সে এসে তিনি উপলব্ধি করেন, আপনজনদের কাছ থেকে আসা এমন মন্তব্য একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে কতটা তলানিতে নামিয়ে আনতে পারে। বিনোদন জগতে পা রাখার পর ভারতি সিং দেখেছেন, স্থূলতাকে পুঁজি করে কৌতুক তৈরি করা বা কাউকে ছোট করে হাসানোর প্রবণতা বেশ পুরনো।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ক্যারিয়ারের শুরুর সেই কষ্টগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে এক কঠোর সিদ্ধান্ত নেন ভারতি সিং। তিনি ঠিক করেন, অন্য কাউকে অপমান করে বা কারও শারীরিক গঠন নিয়ে ব্যঙ্গ করে তিনি হাসির রসদ জোগাবেন না। তিনি বলেন, আমার নিজের মাও আমাকে বলতেন আর কত খাবি? এবার খাওয়া থামা, না হলে তো আরও মোটা হয়ে যাবি। ছোটবেলায় নিয়মিত এসব কথা শুনতে শুনতে তিনি একরকম অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান ভারতি সিং।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


