২০২৪ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহারাজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খানের পুত্র জুনাইদ খানের। ১৮৬২ সালের ঐতিহাসিক ‘মহারাজ মানহানি মামলা’র প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ সিনেমায় সাংবাদিক কারসানদাস মুলজির চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হন জুনাইদ। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা পরিচালিত এ সিনেমায় আরও ছিলেন জয়দীপ আহলাওয়াদ, শালিনী পান্ডে ও শর্বরী।

জুনাইদ ব্যাপক প্রশংসা পাওয়ার পরও বলিউডে নেপোটিজম বা স্বজনপ্রীতি নিয়ে বিতর্কের রেশ যেন থামছেই না। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর এ আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। অধিকাংশ তারকা সন্তান এ প্রসঙ্গে নিজেদের রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করলেও সম্পূর্ণ উল্টো পথে হাঁটলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানের ছেলে জুনাইদ খান। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও নেপোটিজম নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এ তরুণ অভিনেতা।
বলিউড প্রযোজকরা সাধারণত অভিনেতাদের বাজারজাতকরণের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে কাস্টিং করে থাকেন। যেহেতু তারকা সন্তানদের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেশি থাকে, তাই নির্মাতারা তাদের বেছে নেওয়াকে নিরাপদ বলে মনে করেন আমিরপুত্র।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
বলিউডে নিজের সুবিধাজনক অবস্থানের কথা স্বীকার করে নেন জুনাইদ খান। কোনো রাখঢাক না রেখেই তিনি বলেন, নেপোটিজম শব্দটি আমাকে মোটেও বিব্রত করে না। আমি আমির খানের ছেলে বলেই অনেক কাজ ও সুযোগ পাই। তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণ শুধু শিল্প নয়, এটি একটি বড় ব্যবসা। আমির খানের ছেলে হওয়ার সুবাদে ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি বিশেষ সুবিধা ভোগ করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


