মে মাস তাপপ্রবাহ, বজ্রবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের মাস হলেও এবার বড় কোনো ঝড়ের আশঙ্কা নেই। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি শক্তি হারিয়ে সাগরেই বিলীন হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, এপ্রিলে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৫ ভাগ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। যার রেশ থাকছে মে মাসজুড়ে। তাই ২০ মে’র পর থেকে সারা দেশে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড় হতে পারে। তবে নেই তাপপ্রবাহের শঙ্কা।
এপ্রিলে এবার বর্ষা নেমেছে। ৯ দিন মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টি ঝরেছে। সবচেয়ে বেশি কিশোরগঞ্জের নিকলি হাওরে এক দিনে বৃষ্টি হয়েছে ১৬৬ মিলিমিটার। এপ্রিলে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে ৭৫ ভাগ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। তবে এ মাসে কেবল রাজশাহীতে একদিন তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে।
তাপপ্রবাহ, বজ্রবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ে বিক্ষিপ্ত থাকে মে মাস। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এপ্রিল থেকে জুন কর্কটক্রান্তি রেখার আশপাশে তাপ তীব্র থাকে। এসময়, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তর ও মধ্য প্রদেশ থেকে বয়ে আসে শুষ্ক বাতাস। এর প্রবেশ মুখেই পড়ে চুয়াডাঙ্গা,ফরিদপুর-কুষ্টিয়াসহ দেশের উত্তর- মধ্যাঞ্চল। তাই পারদ উঠে যায় ৪০ ডিগ্রির ওপরে। তবে এ বছর চিত্রটা ভিন্ন। ২০ মে’র পর বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টি হতে পারে দেশের নানা জায়গায়।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, পাহাড়ের সাথে জলীয়বাষ্প সমৃদ্ধ বাতাসের যে সংঘর্ষ হয়, এতে যে মেঘ–বৃষ্টি হয়, এই বৃষ্টি এবার বেশি ছিল। এখন পর্যন্ত মে মাসে তেমন একটা তাপপ্রবাহ নেই।
২০১৯ সালের পর থেকে ছয় বছরে ঘূর্ণিঝড় ফণী, আম্ফান, ইয়াস, মোখা ও রেমাল আঘাত হানে মে মাসে। এবারও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। যা নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানান, সুস্পষ্ট লঘুচাপ দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকাজুড়ে রয়েছে। এটি যে শক্তি অজর্ন করবে সে সম্ভাবনা নেই। তবে এর প্রভাবে মেঘ ও বৃষ্টি হবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
মে মাসে সিলেট ,ময়মনসিংহ, রংপুরে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর বন্যাপূর্ভাস কেন্দ্র বলছে, দেশের উত্তর পূর্বের সোমেশ্বরি, ভোগাই, কংস ও মনু নদীর পানি আগামী কয়েক দিন আবার বৃদ্ধি পেতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


