বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দৃঢ় ব্যাটিংয়ে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছে স্বাগতিক দল। তিনি শেষ ৮ ইনিংসে ৪টি সেঞ্চুরি করার ধারাবাহিকতায় নিজের ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরির দেখা পান। তবে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পরের বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। তার বিদায়ে ২০১ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন শান্ত। প্রথমে আম্পায়ার তাকে আউট দেননি, তবে সফরকারী দল রিভিউ নিলে সিদ্ধান্ত বদলে যায়। তিনি ১৩০ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছক্কা।
তার বিদায়ে ভাঙে মুমিনুল হকের সঙ্গে গড়া ১৬৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই জুটিতে অর্ধশতক পূর্ণ করেন মুমিনুল হক, যিনি অপরাজিত আছেন ৬৪ রানে। তার সঙ্গে এখন ক্রিজে আছেন মুশফিকুর রহিম, যিনি এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি।
এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। বাংলাদেশ দলে দুইটি পরিবর্তন আনা হয়—পেসার নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদকে দলে ফেরানো হয়, আর বাদ পড়েন খালেদ আহমেদ ও হাসান মুরাদ।
ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথমে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। ৪ রানে জীবন পাওয়ার পরও তিনি ৮ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
অন্য ওপেনার সাদমান ইসলামও বেশি দূর যেতে পারেননি। তিনি ১৩ রান করে হাসান আলীর বলে স্লিপে সালমান আলী আগার হাতে ক্যাচ দেন। ফলে ৩১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


