
বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঋতব্রত ব্যানার্জির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে ৫৮ জন বিধায়ক বিধানসভার স্পিকার রাথিন্দ্র বোসের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। পরবর্তীতে স্পিকার আবেদন গ্রহণ করেন এবং বিরোধী দলের জন্য নির্ধারিত কক্ষের দায়িত্ব ঋতব্রতের কাছে হস্তান্তর করেন।
এদিকে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ দলটির অভ্যন্তরীণ সংকটকে আরও স্পষ্ট করেছে।
নির্বাচনের পর থেকেই দলের ভেতরে অসন্তোষ ও মতবিরোধ বাড়ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। একদিকে বিধায়কদের একটি অংশের অবস্থান পরিবর্তন, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ নেতার পদত্যাগ—দুটি ঘটনাই তৃণমূলের সাংগঠনিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার কলকাতার কালিঘাটে নিজ বাসভবনে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন মমতা ব্যানার্জি। তবে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তৃণমূলের নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জন ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা অংশ নেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন কুনাল ঘোষ ও অভিষেক ব্যানার্জি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য একটি বড় সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংকট নিরসনে দলীয় নেতৃত্বকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



