খেজুর সারাবছরই খাওয়া যায়। এতে থাকা নানা পুষ্টিগুণ শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারী। শীতকালে প্রতিদিন খেজুর খেলে শরীর ভেতর থেকে উষ্ণ থাকে, দ্রুত শক্তি জোগায়, হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এই ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। সেই সঙ্গে ত্বক ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেল, যা শীতের জড়তা কাটাতে ও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শীতে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা-
শক্তি ও উষ্ণতা: খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায়। সেই সঙ্গে শরীরকে ভেতর থেকে গরম রাখতে সাহায্য করে, যা শীতের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য:খেজুর ফাইবারের চমৎকার একটি। শীতকালে অনেকেরই হজেমের সমস্যা হয। নিয়মিত এই ফল খেলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয।
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করে: খেজুরে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
ত্বকের স্বাস্থ্য: খেজুরে থাকা ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে, শুষ্কতা কমাতে এবং বলিরেখা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা: খেজুরে উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েড ও ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে ও মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য: খেজুরে থাকা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় মজবুত করতে ভূমিকা রাখে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ফাইবারসমৃদ্ধ খেজুর রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা খেজুর খেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
কতটা খাবেন
সাধারণত প্রতিদিন ৩-৫টি খেজুর খাওয়া যথেষ্ট। এই ফলে প্রচুর চিনি ও ক্যালোরি থাকে,তাই অতিরিক্ত খেজুর খাওয়া ওজন বাড়াতে পারে বা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।
৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল : স্বরাষ্ট্র সচিব
কীভাবে খাবেন?
শীতের সকালে খালি পেটে বা দুধের সাথে খেলে সারাদিনের জন্য শক্তি পাবেন। খিদে পেলে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের পরিবর্তে খেজুর খেতে পারেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


