দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় ২২ বছর পর শনিবার তিনি জেলার সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এই সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

দলীয় সূত্র জানায়, সর্বশেষ ২০০৩ সালের ৮ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও সফর করেছিলেন তারেক রহমান। এবারের জনসভাকে সফল করতে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। শুক্রবার সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়। পাশাপাশি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জনসভায় উপস্থিত থাকার জন্য প্রচারণাও জোরদার করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন তারেক রহমান। এরপর বিমানে করে সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে হেলিকপ্টারে ঠাকুরগাঁওয়ে আসবেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন। পরে দুপুরের দিকে নীলফামারীর উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন শুক্রবার সকালে জনসভাস্থলে প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে জানান, দীর্ঘ ২২ বছর পর দলের চেয়ারম্যানের আগমন ঘিরে সাধারণ ভোটার ও জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এই জনসভা ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে জেলার সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। নেতাকর্মীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। শনিবারের জনসভায় ঠাকুরগাঁও শহর জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সমাবেশে ঠাকুরগাঁও জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি পঞ্চগড় ও দিনাজপুরের একটি করে আসনের প্রার্থীরাও উপস্থিত থাকবেন।
এ সময় ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক দাবি তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান জেলা বিএনপির এই নেতা। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঠাকুরগাঁওয়ে ইপিজেড স্থাপন, বন্ধ বিমানবন্দর পুনরায় চালু, একটি মেডিক্যাল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলা, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শিল্পকারখানা স্থাপন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


