প্রতিবছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। এ দিনটি মূলত মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের মতো প্রাণঘাতী রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে উদযাপন করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো ক্যান্সার শনাক্ত হলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব এবং রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুর মধ্যে ফুসফুস ক্যান্সার অন্যতম প্রধান কারণ। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই রোগের প্রাথমিক কিছু লক্ষণকে আমরা প্রায়ই সাধারণ সমস্যার সঙ্গে মিশিয়ে ফেলে উপেক্ষা করি। এর ফলে চিকিৎসা শুরু দেরি হয় এবং ঝুঁকি বাড়ে। তাই কিছু সতর্ক লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ফুসফুস ক্যান্সারের সবচেয়ে সাধারণ প্রাথমিক লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কাশি। প্রথমে কাশি হালকা হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে এবং প্রায় প্রতিদিন দেখা দেয়। সাধারণ সর্দি-কাশি ভাবা হলে বিপদ আরও বেড়ে যেতে পারে।
কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা সংকেত। কফের সঙ্গে লালচে রক্ত দেখা দিলে তা ফুসফুসের ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে, এবং দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।
ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়তে থাকলে শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। সামান্য হাঁটাচলা বা দৈনন্দিন কাজের সময়ও হাঁপ ধরা, বুক ভার বা দম নিতে অসুবিধা হওয়া লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় কাশি কিংবা বিশ্রামের সময় বুক ব্যথাও অনুভূত হয়।
এছাড়া, খিদে কমে যাওয়া বা অকারণে ওজন হ্রাসও ফুসফুস ক্যান্সারের সতর্ক সংকেতের মধ্যে পড়ে। খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া বা দ্রুত ওজন কমা কখনোই ভালো লক্ষণ নয়। প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই এ ধরনের উপসর্গ দেখা যায়।
চিকিৎসকের পরামর্শ, এই ধরনের কোনো লক্ষণ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে তা অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো উচিত। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণই ফুসফুস ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরক্ষা।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


