২০২৬ সালে যারা আকাশের সৌন্দর্য ও মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য বছরটি হবে সত্যিই আনন্দঘন। প্রকাশনা দ্য ওল্ড ফার্মারস অ্যালমানাক জানিয়েছে, এই বছরে কিছু বিরল ও চমকপ্রদ মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে, যা খালি চোখেই সহজেই উপভোগ করা সম্ভব—কোনো বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন হবে না।

ফেব্রুয়ারি ১৮-২০: এই তিন দিনে বুধ গ্রহ চাঁদের কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যাবে। সূর্যাস্তের প্রায় ৪৫ মিনিট পরে চাঁদের ঠিক উপরে বুধকে খালি চোখে দেখতে পারবেন। ২০ ফেব্রুয়ারি বুধ গ্রহ থাকবে সবচেয়ে উঁচু অবস্থানে, তখন এটি চাঁদ ও শনি গ্রহের ওপর স্পষ্ট দেখা যাবে।
৩ মার্চ: পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে। ভোরের আগে শুরু হওয়া এই গ্রহণে চাঁদ ধীরে ধীরে লালচে রঙ ধারণ করবে এবং প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী হবে। বিশেষ বিষয় হলো, এরকম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ পরবর্তীবার দেখা যাবে ২০২৯ সালে।
৯ জুন: আকাশে খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে শুক্র ও বৃহস্পতি গ্রহ। এটি ‘যমজ গ্রহের মতো দৃশ্য’ নামে পরিচিত। উজ্জ্বল শুক্র গ্রহ সহজেই চোখে পড়বে।
১২-১৩ আগস্ট: পারসিডস উল্কাবৃষ্টি ঘটবে। অন্ধকার আকাশ থেকে ঘণ্টায় ৬০-১০০টি উল্কা দেখা যেতে পারে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় আংশিক সূর্যগ্রহণও ঘটবে, তবে সূর্যগ্রহণ দেখার সময় চোখের সুরক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে।
২৭-২৮ আগস্ট: আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদের বড় অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে। মধ্যরাতের দিকে এই দৃশ্য সবচেয়ে সুন্দরভাবে দেখা যাবে।
৬ অক্টোবর: ভোরের আগে চাঁদ ও বৃহস্পতি গ্রহ একসাথে দৃশ্যমান হবে। এটি নতুনদের জন্যও সহজে দেখার মতো দৃশ্য।
৭ নভেম্বর: চাঁদ, শুক্র এবং নীল তারা স্পাইকা একসাথে দেখা যাবে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই নীল তারার আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ২৫০ বছর।
১৩-১৪ ডিসেম্বর: আবারও উল্কাবৃষ্টি ঘটবে। অন্ধকার আকাশ থেকে ঘণ্টায় প্রায় ১২০টি উল্কা দেখা যেতে পারে, যা আসলেই মনোমুগ্ধকর হবে।
সর্বশেষে, ২০২৬ সাল আকাশপ্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় ও চমকপ্রদ বছর হিসেবে রেকর্ডে থাকবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


