গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরির পর বিক্রি করে আসছে একটি চক্র। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবারও চলছিল জাল নোট ছাপানোর কাজ।

খবর পেয়ে রাজধানীর উত্তরা ও গাজীপুর থেকে চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
শফিকুল ইসলাম জানান, জাল নোট কেনাবেচার খবরে প্রথমে উত্তরায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ঈদকে সামনে রেখে সক্রিয় জাল নোট চক্রের সদস্য মুজিবুর রহমানকে আটক করা হয়।
তার দেওয়া তথ্যে বুধবার সকালে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে ৩৪ লাখ টাকার সমপরিমাণ জাল নোট এবং ছাপানোর বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় চক্রের আরো দুজন সদস্য দুলাল ও মামুনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, চক্রটি কোরবানির ঈদকে সামনে ৩৪ লাখ টাকার বেশি জাল নোট ছাপিয়েছে।
যা ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে ছড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। এরই মধ্যে মার্কেটে বিপুলসংখ্যক জাল নোট ছড়িয়ে দিয়েছে চক্রটি।
তিনি বলেন, কোরবানির হাটগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন বসানো হবে। তবে লেনদেনে সবাইকে আরো সতর্ক হতে হবে।
এদিকে, ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অভিযানে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা ও অবৈধ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছয় চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ডিবির দাবি, তারা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধ চালিয়ে আসছিল। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৬ লাখ টাকা, একটি মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ও গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


